• ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২৩ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tathagata Roy

রাজনীতি

Tathagata Roy: ফের টুইটবোমা তথাগতর

বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে ক্রমশ চওড়া হচ্ছে ফাটল! দিলীপ ঘোষের কটাক্ষের পরেও তিনি যে দমে যাননি, তার প্রমাণ মিলল তথাগত রায়ের নতুন টুইটে। রাজ্য নেতৃত্বের উদ্দেশে ফের চড়া সুরে আক্রমণ শানালেন তিনি। শুধু আক্রমণ নয়, দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগও আনলেন তথাগত রায়। তবে সেইসঙ্গে নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ভরসা রেখে তাঁদের আহ্বান জানালেন দলকে খাদ থেকে টেনে তুলতে।বেকারী,দলবাজি,তোলাবাজি, খুনখারাপি,সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন।তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনো হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না। Tathagata Roy (@tathagata2) November 8, 2021নয়া টুইটে তথাগত রায় লিখেছেন, বেকারি,দলবাজি, তোলাবাজি, খুনখারাপি,সংখ্যালঘু তোষণ ইত্যাদি সমস্যায় মানুষ পর্যুদস্ত হয়ে বিজেপিকে চাইছিলেন। তা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এরকম শোচনীয় ফল করল তা নিয়ে বিশ্লেষণ প্রয়োজন। কারা এর জন্য দায়ী তাও চিহ্নিত করতে হবে। আগেই করা উচিত ছিল, এখনো হতে পারে। কিন্তু এড়িয়ে গেলে চলবে না। ৩ থেকে ৭৭ (এখন ৭০) গোছের আবোলতাবোল বুলিতে পার্টি পিছোবে, এগোবে না। অর্থ এবং নারীর চক্র থেকে দলকে টেনে বার করা অত্যাবশ্যক। দলের নবনিযুক্ত সভাপতি ও বিরোধী দলনেতা - এঁরা দুজনে নেতৃত্ব দিন। পুরোনো চক্রে ফেঁসে থাকলে এখন যে পুরভোটের প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এরকম অবস্থাই চলবে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Srabanti Tathagata: বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তীর ইলেকশন এজেন্টকে নিয়ে প্রশ্ন তথাগতর

এবার বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্ট সোহেল দত্তকে প্রশ্ন তুললেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথাগত রায়। বর্ষীয়াণ এই বিজেপি নেতা এর আগেও একাধিক টুইট করে দলকে সতর্ক করেছেন। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।রাজ্য কার্যকরি কমিটির সাম্প্রতিক বৈঠকে হাজির ছিলেন তথাগত রায়। রাজ্যে বিজেপির পরাজয়ের কারণ নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বার্তা দিয়েছেন। চিঠি পাঠিয়ে শলা-পরামর্শও দিয়েছেন দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে। এবার শ্রাবন্তীর চিফ ইলেক এজেন্টের রাজনৈতিক সত্ত্বা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা।টুইটে কি ছবি পোস্ট করেছে তথাগত রায়?Is this true? pic.twitter.com/AhuS5LNhQw Tathagata Roy (@tathagata2) July 4, 2021রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুব্রত বক্সীকে নিজের হাতে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন সোহেল।কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছবি রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে।রাজ্যের আরেক মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন, পাশে দাঁড়িয়ে এই অভিনেতা।তৃণমূলের রাজ্য সভার সাংসদ সুভাশিস চক্রবর্তীকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে প্রকাশ্য মঞ্চে। অবশ্যই মুখে হাসি লেগে রয়েছে।এনআরসি ও সিএএ বিরোধী মিছিলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সোহেল।এই পাঁচটি ছবি পোস্ট করে তথাগত রায় প্রশ্ন তুলেছেন, এটা কি সত্য?টুইটে তথাগত লিখেছেন, এটি হচ্ছে সোহেল দত্ত বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের চিফ ইলেকশন এজেন্ট। বাকিটা আপনারা বিচার করুন। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার এই পোস্ট ঘিরেই বিতর্ক দানা বেধেছে। উল্লখযোগ্য বিষয় বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন প্রবীণ তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!নির্বাচনপর্ব মিটবার কিছু দিন পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায় দল ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে গিয়েছেন। বিজেপির একাংশ দল ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিতে চাইছেন বলেও তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেছেন। এদিকে তৃণমূলের কালচারাট ইউনিটের রাজ্য সভাপতি রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, দলে যে কেউ ফিরতে পারেন, স্বাগত। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, বিজেপি খতিয়ে না দেখেই বিভিন্ন লোককে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছিল নির্বাচনে। সেই প্রশ্ন উঠছে দলের মধ্য থেকেও।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

তথাগত রায়ের নামে দায়ের এফআইআর

বিপাকে প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বিজেপি নেতা তথাগত রায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে গিরিশ পার্ক থানায় দায়ের হয়েছে এফআইআর। বিভাস রায়চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি থানায় রবিবার ওই বিজেপি নেতার নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন।এই ব্যাপারে পুলিশ জানিয়েছে, বিভাস রায়চৌধুরি নামে ওই ব্যক্তি বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন। এই অভিযোগে বলা হয়েছে, শনিবার অভিযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি টুইট করেন। সঙ্গে আবার একটি ভিডিও শেয়ার করেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, যে তথ্য পোস্ট করা হয়েছে, তা মিথ্যা। এর ফলে রাজ্যের সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে। এমনকী হিংসা ছড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। মানুষের শান্তি নষ্ট হতে পারে। তারই ভিত্তিতে ওই অভিযোগ দায়ের করা হল। ইতিমধ্যে তথাগতবাবুর সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই মন্তব্য এবং ভিডিও খতিয়ে দেখে তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।রাজ্যে মিটে গিয়েছে ভোটপর্ব। ভোট মিটলেও টুইটে রাজ্যের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ এনেছেন তথাগত রায়। কখনও আবার নিজের দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন তুলেছেন। কটাক্ষ করেছেন বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়ানো টলিউডের অভিনেত্রীদেরও। তবে গত কয়েকদিনে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে তৃণমূল সরকারকে একাধিকবার বাক্যবাণে বিদ্ধ করেছেন তথাগত। এমনকী পরপর বেশ কিছুদিন ভিডিও কিংবা খবরের প্রতিবেদনও শেয়ার করেছেন। সেরকমই একটি পোস্টের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

'নগরের নটী' পায়েল-তনুশ্রীদের হার নিয়ে বিজেপিকে তোপ তথাগতর

বেহিসেবি মন্তব্যে অনেক কাল ধরেই তাঁর বেশ নামডাক। তবে এত দিন তথাগত রায়ের সেই সব মন্তব্য ধাবিত হত বিজেপি-বিরোধীদের প্রতি। কিন্তু বঙ্গ দখলের লড়াই শেষ হতে সেই তথাগত রায়ের দিকে তোপ এ বার ধেয়ে গেল দলীয় নেতৃত্বের দিকে। বিজেপি-র তারকা প্রার্থীদের একাংশকে নাম করে নগরীর নটী বিশেষণ দেওয়া হোক বা দলীয় নেতৃত্বকে প্রভু হিসেবে উল্লেখ করা বাছা শব্দচয়নে শুধু কটাক্ষই নয়, বিজেপি নেতৃত্বকে প্রশ্নবাণেও বিদ্ধ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা তথাগত টুইট করে দলের তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার ও তনুশ্রী চক্রবর্তীকে টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের ভূমিকাকেও জিজ্ঞাসাচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তথাগত মঙ্গলবার সকালে টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?এর পর তিনি আর একটি টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে। তিনি প্রথমে ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথাগত। রাজনীতিতে পোড় খাওয়া তথাগতর বেহিসেবি মন্তব্য নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে আগেও বহু বার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এ বার দলের দিকে তোলা তাঁর প্রশ্নে রীতিমতো অস্বস্তিতে দল। প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয়েছে, এটা তথাগতর নিজের বক্তব্য। দলের মন্তব্য নয়।

মে ০৪, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে এসএসকেএম-এ শমীক, তথাগত

এসএসকেএম-এ দেখতে এসেছিলেন তথাগত রায় ও শমীক ভট্টাচার্য। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়নি বিজেপি নেতৃত্বের। তথাগত রায় বললেন, সৌজন্যের খাতিরেই দেখতে এসেছিলাম। যদিও তাঁর সাথে দেখা হয়নি। দেখা হলে ভালো লাগত। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন, এটাই চাই।এদিকে মমতা ব্যানার্জিকে কারা আক্রমণ করলেন? তদন্ত করে দোষীদের বার করুক পুলিশ। নন্দীগ্রাম থানায় এফআইআর করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইলেকশন এজেন্ট শেখ সুফিয়ান। আজ বিরুলিয়া বাজারে ঘটনাস্থলে যান ডিএম ও এসপি-ও। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। তাঁরা বেরিয়ে যাওয়ার পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিরুলিয়া বাজার। তৃণমূল-বিজেপি দুপক্ষের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। রাস্তা অবরোধ করা হয়। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। মমতার চোট নিয়ে শিশির অধিকারী বলেন, রাস্তার ধারে খুঁটিতে লেগেই বিপত্তি। নন্দীগ্রামের মানুষ ষড়যন্ত্র জানে না। নন্দীগ্রামের মানুষ আন্দোলন করতে জানেন। নিরাপত্তারক্ষীদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি আবার নন্দীগ্রামে আসুন। এদিন বিরুলিয়া বাজারের ঘটনাস্থলে যান নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।

মার্চ ১১, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন’— মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে চাঞ্চল্য

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনার মধ্যে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, আগামী দিনে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা পুরো বকেয়া ডিএ পেয়ে যাবেন।একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে এই ইস্যুতে প্রশ্ন তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, কেন ১ এপ্রিল থেকে ডিএ পেলেন না সরকারি কর্মীরা? আমি তো সব পরিষ্কার করে দিয়ে এসেছিলাম।এই বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়কার একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে অভিরূপ সরকারের কমিটি গঠিত হয়েছিল। আমি ২০১৬ সালে মন্ত্রী হই। ২০১৯ সালে আমি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীকে পে কমিশনের টাকা নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, অর্থমন্ত্রী জানাচ্ছেন কমিশনের রিপোর্ট তৈরি হয়নি। আমি বলি, সেটা ভুল কথা। কমিশনের চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করুন।শুভেন্দুর দাবি, তখন কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছিলেন যে অর্থমন্ত্রী তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বারণ করেছিলেন, কারণ সরকারের কাছে টাকা ছিল না। তিনি বলেন, আমি তখনই বলেছিলাম, রিপোর্টটি দিয়ে দিন।পশ্চিমবঙ্গে ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। বকেয়া ডিএর দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বহুদিন পেন-ডাউন আন্দোলনও চলেছে।এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ২০২০ সালে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডিএ তুলে দেওয়া হয়। পরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই লড়াইয়ে আমারও ছোটখাটো ভূমিকা ছিল। যারা থার্ড পার্টির মাধ্যমে টাকা পান, তাঁদের বিষয়টিও আমরা দেখছি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধীরে ধীরে কমানো হবে। অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশ ডিএ দেওয়া হবে, আবার কেউ কেউ ১০ শতাংশের কথা বলছিলেন। আমরা কোনওটাই করিনি। হিসাব করে যা দেওয়া হয়েছে, তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাকি অংশও পূরণ করা হবে।তাঁর এই আশ্বাসে সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

‘বিজেপির পাশবালিশ হয়ে যান’— ঋত শিবিরকে মমতার কড়া বার্তা

এবারের ২১ জুলাইয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ভিন্ন ছবি সামনে এল। একদিকে মেয়ো রোডে বিদ্রোহী ঋত শিবিরের কর্মসূচি, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাট তৃণমূলের সভা। একই সময়ে দিল্লিতেও বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের উদ্যোগে একুশে স্মরণ পালন করা হয়। সব মিলিয়ে দলের ভিতরের বিভাজন প্রকাশ্যে চলে আসে।কালীঘাট তৃণমূলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী শিবিরকে একের পর এক আক্রমণ করা হয়। ভিড়ের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন কুণাল ঘোষও।কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে ফাঁকা চেয়ার। বিজেপিকে ফোন করে লোক আনার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে যারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, বাংলার মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী একজন, বাকি আমরা সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ও প্রতীকের বিরুদ্ধে কেউ গেলে তার কোনও জায়গা নেই।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিদ্রোহী শিবিরকে কটাক্ষ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক দেশ, এক ভোট চালু হলে ২০২৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও বিধানসভা নির্বাচন হবে। তখনই ডেট অফ এক্সপায়ারি দেখা যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাষণে বিদ্রোহী ঋত শিবিরকে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, নকল বেড়াল তপস্বী না হয়ে, বিজেপির পাশবালিশ না হয়ে সরাসরি বিজেপিতে যান। দলের প্রতীক নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আমি ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট। আইনত আমাদের প্রতীক কাড়তে পারবে না। যদি কাড়ার চেষ্টা করা হয়, তাহলে মনে রাখবে তোমাদের সবটা কেড়ে নেব।মমতা আরও বলেন, অভিষেকের বিরুদ্ধে চারশো মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনও মামলায় প্রমাণ দিতে পারবে না। তিনি দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের প্রতিও সমর্থন জানান। তাঁর বক্তব্য, দরকার হলে আমি নিজেও তাদের কর্মসূচিতে যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে, থাকবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহী শিবিরকে উদ্দেশ করে বলেন, পাঁচ ওয়াট, দশ ওয়াটের বাল্ব এখন ভাবছে সে হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছে। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব, যারা দল ছেড়ে গেছে, তাদের কাউকে আর ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই, আয়কর, সিআইডি, এসটিএফ সবাই একসঙ্গে লাগলেও ভয় পাই না। গলা কেটে দিলেও আমার শরীর থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ শোনা যাবে।মঞ্চ থেকে উপাসনা চৌধুরীও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, যখনই মা-মাটি-মানুষের উপর আঘাত আসবে, তখনই সাধারণ মানুষ রুখে দাঁড়াবে।এবারের একুশে জুলাই তাই শুধু শহিদ স্মরণ নয়, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রকাশ্য মঞ্চ হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকল।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

সিকিমের টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমার আরও এক যুবকের মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

সিকিমে টানেল নির্মাণের কাজে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল নাগরাকাটা ব্লকের মনমোহনধুরা গ্রামের যুবক অর্জুন সাউতালের। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছাতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবার ও গোটা এলাকায়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে বাড়তি রোজগারের আশায় সিকিমে শ্রমিকের কাজে গিয়েছিলেন অর্জুন। সেখানে টানেল নির্মাণের কাজ চলাকালীন দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে মনমোহনধুরা গ্রাম। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গোটা এলাকা।অর্জুন সাউতাল ছিলেন পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য। পরিবারে বাবা-মা, চার ভাই ও বৌদিদের নিয়ে বড় সংসার। সংসারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই স্বপ্নই শেষ পর্যন্ত দুঃস্বপ্নে পরিণত হল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিমের এই টানেল দুর্ঘটনায় মাল মহকুমা থেকে এখনও পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এর মধ্যে মেটেলি ও নাগরাকাটা ব্লক মিলিয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর গোটা মহকুমাজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।এলাকাবাসীদের অভিযোগ, নাগরাকাটা ও আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়েই বহু যুবক জীবিকার সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি দেন। কিন্তু কাজের খোঁজে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে বহু মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে যেতে হতো না।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

বিরোধীদের চাপের মুখে কি নতি স্বীকার? নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সরকারের বড় ঘোষণা

নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি কেন্দ্র সরকার। বুধবার সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। নিট প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই বিরোধীরা সরব। একই সঙ্গে আন্দোলনে নামে ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। তারা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি জানায়।সোমবার সিজেপি সংসদ অভিযানের ডাক দেয়। সেই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বাসভবনের কাছে ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী -সহ কংগ্রেস নেতাকর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ অখিলেশ যাদবও। পরে দিল্লি পুলিশ তাঁদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।ধরনার সময় কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তখন তিনি নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন। তবে অভিযোগ, সেই আশ্বাসের পরও রাহুল গান্ধী ধরনা তুলতে রাজি হননি।এই পরিস্থিতিতে কিরেণ রিজিজু বলেন, বিরোধীরা আলোচনার সময় তাদের বক্তব্য তুলে ধরতে পারবে। কেউ তাদের বাধা দেবে না। কিন্তু আলোচনা শুরুর আগেই যদি শর্তের পাহাড় তোলা হয়, তাহলে বোঝা যায় তারা আসলে আলোচনা চায় না।সরকারি সূত্রের খবর, বিরোধীরা চাইলে বৃহস্পতিবার থেকেই নিট প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সংসদে আলোচনা শুরু হতে পারে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় তুমুল কাণ্ড! মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বের করে দিলেন স্পিকার

দুই তৃণমূলের দ্বন্দ্বে বুধবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিধানসভা। কুণাল ঘোষ ও আখরুজ্জামানের সংঘাতকে কেন্দ্র করে হট্টগোল শুরু হয় অধিবেশনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার রথীনন্দ্রনাথ বসু মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বিধানসভা থেকে বাইরে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে সাসপেন্ডও করা হয়।বিধানসভা গঠনের পর থেকেই কালীঘাটপন্থী তৃণমূল এবং ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মধ্যে বিরোধ বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। বর্তমানে ঋতব্রত শিবির বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং আখরুজ্জামান মুখ্য সচেতকের দায়িত্বে রয়েছেন।বুধবার আখরুজ্জামান বক্তব্য রাখতে উঠলে তাঁকে বাধা দেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও এই ঘটনার প্রতিবাদ জানান। বিজেপির মন্ত্রী শংকর ঘোষ ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ বিদ্রোহী তৃণমূলের বিধায়করাও ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান।এরপরই স্পিকার মার্শাল ডেকে কুণাল ঘোষকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়।কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়কদের অভিযোগ, তাঁদের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে কুণাল ঘোষের নাম থাকলেও মুখ্য সচেতক সেই নাম কেটে অন্য নাম যুক্ত করছেন। এই অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও আলিফা আহমেদ।আখরুজ্জামান পরে বলেন, ৮০ জন বিধায়ক রয়েছেন। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিলে সময় হবে না। তাই কে বলবেন, তা আমরা ঠিক করব।ঘটনার তীব্র নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন অসভ্যতা আমি বিধানসভায় আগে দেখিনি। এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আখরুজ্জামান একজন প্রবীণ নেতা। তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।এই ঘটনার পর বিধানসভায় দুই তৃণমূল শিবিরের সংঘাত আরও প্রকট হয়ে উঠল বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

জুলাই ২২, ২০২৬
দেশ

মহিলা সাংসদের সঙ্গে বচসা, তারপরই বড় সিদ্ধান্ত! কল্যাণের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

লোকসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অসংসদীয় আচরণের অভিযোগে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এনসিপিআই সাংসদ মিতালী বাগের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, লোকসভায় মিতালী বাগের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই সময় তিনি মিতালী বাগকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য সাংসদ, যার মধ্যে বাপি হালদারও ছিলেন, তাঁরা কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।এনসিপিআই সাংসদদের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার মহিলা সাংসদদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এর আগেও কাকলি ঘোষ দস্তিদার তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে অসম্মান করার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বচসা একসময় হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয় বলেও সূত্রের দাবি।এরপর এনসিপিআই সাংসদরা লোকসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল অসংসদীয় আচরণের প্রস্তাব আনেন। ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গোটা বাদল অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করা হয়।এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের ভাঙনের ফলে কালীঘাট তৃণমূলে হাতে গোনা কয়েকজন সাংসদ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সংসদে দলের অন্যতম মুখ।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, কল্যাণদা সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। মহিলাদের গালাগালি দেন। এই নিয়ে আগেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। স্পিকারকে ধন্যবাদ, তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

উচ্ছেদ নয়, এবার কলেজ স্ট্রিটের ‘মেকওভার’! কী কী বদল আসছে জানেন?

কলেজ স্ট্রিটকে উচ্ছেদ নয়, নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। বুধবার ভোরবেলা পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল কলেজ স্ট্রিটে গিয়ে পুরো এলাকা ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্মিতা পাণ্ডে ও কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা।এলাকা পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী পথচারী ও বই বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন, কীভাবে কলেজ স্ট্রিটকে আরও সুন্দর করে তোলা যায়।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলেজ স্ট্রিটের একটি অংশকে নো ভেহিকেলস জোন করা হবে। সেখানে কোনও গাড়ি চলবে না, হর্ন বাজবে না। বইপ্রেমীরা ওই এলাকায় সাইকেলে ঘুরতে পারবেন। তবে বাইরে থেকে সাইকেল আনা যাবে না; নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সাইকেল ভাড়া নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। বয়স্কদের জন্য ব্যাটারি চালিত গাড়ির ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি সেখানে ক্যাফে, বই পড়ার বেঞ্চ এবং শান্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, কলেজ স্ট্রিট হল বইপাড়া। এখানে শুধু বই, খাতা, নোটপ্যাডের দোকান থাকবে। আমরা চাই জায়গাটি সুন্দর ও শান্ত হোক। তবে মূল কলেজ স্ট্রিট রাস্তায় আপাতত কোনও পরিবর্তন করা হবে না, কারণ সেটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্র্যাফিক জোন।তিনি আরও জানান, রেলিংয়ের সামনে থাকা কিছু দোকানকে অন্যত্র সরিয়ে একইরকম নকশার স্টলে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্দেশ্য হল, এলোমেলো টিনের দোকানের বদলে একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় বইপাড়া গড়ে তোলা।দোকানদারদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, যাঁদের বইয়ের দোকান রয়েছে, তাঁদেরই পুনর্বাসন করা হবে। কারও রুজিরুটিতে আঘাত করা হবে না। শুধু জায়গাটিকে আরও সুন্দর ও পরিকল্পিতভাবে সাজানো হবে।বই বিক্রেতারাও এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। এক বিক্রেতা বলেন, সরকার বলছে দোকান তোলা হবে না, শুধু সুন্দর করে সাজানো হবে। সেটা হলে ভালোই। আরেকজনের কথায়, আমরা চাই কলেজ স্ট্রিট সুন্দর হোক, কিন্তু আমাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে।

জুলাই ২২, ২০২৬
কলকাতা

তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব এবার বিধানসভায়! মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা

বিধানসভায় ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিল। বুধবার অধিবেশন চলাকালীন বক্তব্য রাখতে উঠে আবার বসে পড়তে হল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলার সময় শোভনদেব বক্তব্য রাখতে উঠেছিলেন। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তাদের যে তালিকা পাঠানো হচ্ছে, তা কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে বিধায়কদের বক্তব্য রাখার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে তিনি জানান।আলিফা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে। আগে থেকে জানা গেলে সুবিধা হয়। তাই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, এখানে অনেক বিরোধী দল আছে। কালীঘাটপন্থী আছেন, আইএসএফ আছে, সিপিআইএম আছে, কংগ্রেস আছে। আমরা চাই সবাই সময় ভাগ করে নিক।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমি নিজেও পাঁচ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। তখন চিফ হুইপ বক্তব্য রাখার সময় ঠিক করতেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই। নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।উল্লেখ্য, বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় রয়েছেন। অন্যদিকে ঋতব্রতপন্থীরা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফলে কোন শিবিরের তালিকা অনুযায়ী বক্তব্য হবে, তা নিয়ে বারবার বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal